Friday, October 12, 2012

প্রথম সন্তানটি কী হলে ভালো হয়— ছেলে না মেয়ে?

প্রথম সন্তানটি কী হলে ভালো হয়— ছেলে না মেয়ে? কাংখিত সন্তান দুই বা ততোধিকের ক্ষেত্রে কোনটি বেশি হলে ভালো—ছেলে না মেয়ে? যদি কেবল একটি সন্তান হয়, তাহলে কী হলে ভালো— ছেলে না মেয়ে?
এসব প্রশ্নের উত্তর একটু ভেবে দেখুন। তারপরে মিলিয়ে নিন এই জরিপের সঙ্গে। জরিপটি পরিচালনা করেছে কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। দুই হাজার শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তার ওপর পরিচালিত জরিপটি জার্নাল অব এনথ্রোপলজিতে প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফলে দেখা গেছে, বেশির ভাগ পুরুষই চান ছেলে সন্তান। আর নারী চান মেয়ে সন্তান।
এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন গবেষকেরা। তাঁদের মতে, পুরুষ চায় বংশ রক্ষা করতে। চেতন বা অবচেতন মনে পুরুষের মধ্যে এই আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। আর প্রথাগত সমাজব্যবস্থায় প্রচলিত ধারণা হলো, মেয়েসন্তান কখনই কোনো বংশের উত্তরাধিকারী নয়। তাই পুরুষের পছন্দের তালিকায় থাকে ছেলেসন্তান।

আর অন্যদিকে নারী সব সময়ই মেয়েসন্তান পছন্দ করেন। কারণ তাঁরা মনে করেন, মেয়েসন্তান তাঁর ভালো বন্ধু হতে পারবে। তাঁকে বুঝতে পারবে। এ ছাড়া আরও যে বড় কারণ তা হলো, জীবনে ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য নারীর যে আকাঙ্ক্ষা থাকে, তা অনেক সময়ই নানামুখী চাপের কারণে পূরণ হয় না। আর সেই অপূর্ণ বাসনা নারী পূরণ করতে চান তাঁর মেয়েসন্তানের মধ্য দিয়ে। চিকিত্সক রাজেন্দ্র কালে জানান, ছেলেসন্তানের আকাঙ্ক্ষা বেশি বলেই গর্ভপাতের ঘটনা বেশি ঘটে। এ কারণে ৩০ সপ্তাহের আগে সন্তান ছেলে না মেয়ে, হবু মা-বাবাকে তা জানানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।


Thursday, October 11, 2012

রাতজাগা ভুলিয়ে দেয় পড়া

পরীক্ষার আগে সারা দিন ধরে পড়ালেখা তো চলতেই থাকে। দিনের বেলায় পুরো সিলেবাস শেষ হলেও মনের মধ্যে কেমন যেন ভয় জাগে। তাই অনেকেই পরীক্ষার আগে রাত জেগে পুরো সিলেবাসের মধ্য দিয়ে আরেকবার নিজেকে ঝালাই করে নেয়। তারা ভাবে, হয়তো রাতজাগা এই পুনর্পাঠ পরীক্ষায় সফলতা এনে দেবে। কিন্তু এই ধারণা ভুল।

সম্প্রতি নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার আগে রাত জেগে পরীক্ষার সিলেবাস পুনর্পাঠ করা ভালো কিছু নয়। এটি স্মৃতিকে ঝালাই করার চেয়ে বরং সারা দিন ধরে মুখস্থ করা অধিকাংশ পড়াকেই ভুলিয়ে দিতে পারে।
ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব সায়েন্সের একদল গবেষক ইঁদুরের ওপর গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন বলে ‘দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া’র খবরে বলা হয়েছে। গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ডা. সুশীল ঝা।
গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের পালায় শেখা বিষয়গুলো মনে রাখার ক্ষেত্রে ঘুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গবেষকেরা বলছেন, ‘পরীক্ষার আগে দিনভর পড়ার পর তুমি যদি রাত জাগ, নিজেকে ঘুম থেকে বঞ্চিত কর, তাহলে পরবর্তীতে মুখস্থ করা বিদ্যা মনে রাখতে পারার সম্ভাবনা কম।’
গবেষকেরা দেখেছেন, যেকোনো একটি বিষয় শেখার পর যেসব ইঁদুরকে রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমাতে দেওয়া হয়েছে, সেই সব ইঁদুর শেখা বিষয়টি পরদিন ভালোভাবে করতে পারে না। অপর দিকে গবেষণায় অংশ নেওয়া যেসব ইঁদুরকে পর্যাপ্ত ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তারা ঠিকই শেখা বিষয়টি পরের দিন হুবহু করতে পারে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন কোনো বিষয় শেখার পর দ্রুত ঘুমিয়ে যাওয়া পুনরায় স্মরণের জন্য খুবই উপকারী। ২০৭ জন শিক্ষার্থীর ওপর ওই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে।

Tuesday, October 2, 2012

বেশি চা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়?


বেশি মাত্রায় চা পানকারী পুরুষদের মূত্রথলির (প্রোস্টেট) ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। নতুন একটি গবেষণায় এ দাবি করা হয়েছে।
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো বিশ্ব-বিদ্যালয়ের একদল গবেষক গবেষণাটি চালান। তারা ছয় হাজার ১৬ জন পুরুষ স্বেচ্ছাসেবীর স্বাস্থ্যের ওপর ৩৭ বছর ধরে নজর রাখে। যেসব পুরুষ দিনে সাত কাপ বা তার চেয়েও বেশি চা পান করেছেন, তাঁদের মূত্রথলির ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অল্প মাত্রায় চা পানকারী পুরুষের তুলনায় শতকরা ৫০ ভাগ বেশি।
১৯৭০ সাল থেকে ২১-৭৫ বছর বয়স্ক ওই স্বেচ্ছাসেবীদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন গবেষকেরা। স্বেচ্ছাসেবীরা স্বাভাবিকভাবে দিনে কয় কাপ চা বা কফি পান করেন, মদ বা ধূমপানের অভ্যাস আছে কি না ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন গবেষকেরা। দেখা গেছে, স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশই অতিমাত্রায় চা পান করেন। এঁদের মধ্যে ৬ দশমিক ৪ ভাগ মূত্রথলির ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। বিবিসি।